Na vida passada, Xie Siyí foi esposa do duque por seis anos. Ela sabia que seu marido não a amava, então só buscava respeito mútuo e preservar todo o seu esplendor e status. Mas o destino não colaboro
আমি বাঁচাও!
গভীর, অন্ধকার পুকুরে শিয়ে সিই ইচ্ছেমতো ছটফট করতে লাগল, তার দৃষ্টি ধীরে ধীরে ঝাপসা হয়ে আসছিল।
আরও কিছুক্ষণ প্রাণপণে挣扎 করার পর, এক অস্পষ্ট অবয়ব তার সামনে এক দণ্ড লম্বা বাঁশের লাঠি বাড়িয়ে দিল।
শিয়ে সিইর মনে খুশির ঢেউ উঠল। সে লাঠিটি ধরতে যাচ্ছিল, কিন্তু কোনোমতে হাত বাড়িয়ে কাছে আসতেই, ঠিক যে মুহূর্তে লাঠিটি আঁকড়ে ধরবে—
যে বাঁশের লাঠিটিকে সে প্রাণরক্ষাকারী বলে ভেবেছিল, তা-ই সমস্ত শক্তি দিয়ে তার মাথায় আঘাত হানল।
সোজা তাকে পুরো শরীর-সহ পানির তলায় চেপে দিল!
আগে হঠাৎ পানিতে পড়ে গিয়ে সে লাগাতার হাত-পা ছুড়ে সাহায্যের ডাক দিচ্ছিল, তাতেই তার অনেক শক্তি শেষ হয়ে গিয়েছিল।
এখন মাথা সজোরে পানির নিচে ঠুকে দেওয়া হলো, আর শিয়ে সিই তো অভ্যাসবশত আরাম-আয়েশে বড় হওয়া মেয়ে; এত ধকল সয়ে আর নিজের দেহ তুলে ধরার মতো অতিরিক্ত শক্তি তার রইল না।
অসহায়ের মতো কেবল সেই হ্রদের জলকে নাক-মুখে ঢুকে শরীরে ছড়িয়ে পড়তে দিতে হলো।
অতীতের সব অভিজ্ঞতা চক্ষের সামনে দৌড়ঝাঁপ করা দৃশ্যের মতো একের পর এক ভেসে উঠতে লাগল।
শেষমেশ, শিয়ে ই নিং যেন দেখল, রাজপ্রাসাদ থেকে আসা এক খোজা-সেবক, উজ্জ্বল হলুদ রাজাদেশ বুকে চেপে, গেছেন গুয়ো দারবার বাড়িতে, অতিথিশালার বড় কক্ষে।
শুধু অপেক্ষা, সে এসে পৌঁছলেই তাঁকে উপাধি ও মর্যাদা প্রদানসংক্রান্ত রাজাদেশ পাঠ করা হবে।
কিন্তু এখন, সবই শূন্য হয়ে গেল!
……
হাঁফ...
হাঁফ...
হাঁফ...
শিয়ে সিই হঠাৎ শয্যা থেকে উঠে বসল। কপালের দুই পাশে ঘাম ভিজে চুলগুলো মুখে শক্ত করে লেপ্টে আছে।
গায়ে পরা সাদা শয়নবস্ত্রও ঘামে শরীরের সঙ্গে লেগে গেছে।
পুরো মানুষটিকে দেখে কিছুটা অপ্রস্তুত আর ক্লান্ত লাগছিল।
শরীরের অস্বস্তির তোয়াক্কা না করে শিয়ে সিই ডেকে পাঠাল তার ব্